src='https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'/> মোবাইলের ডিসপ্লে কি সত্যিই চোখের ক্ষতি করে?

মোবাইলের ডিসপ্লে কি সত্যিই চোখের ক্ষতি করে?

মোবাইলের ডিসপ্লে কি সত্যিই চোখের ক্ষতি করে
মোবাইলের ডিসপ্লে কি সত্যিই চোখের ক্ষতি করে

মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে আমাদের চোখের কতটা ক্ষতি করে,এই নিয়ে নানা মুনির নানা মতবাদ প্রচলন আছে। কারো মতে ফোনের ডিসপ্লে চোখের প্রচুর ক্ষতি করে আবার কারো মতে সামান্য ক্ষতি করে। এই নিয়ে আমাদের মতামত কি, সেটাই আজকের আর্টিকেলে লিখবো।

মোবাইল ফোনের যে ডিসপ্লে দেয়া হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটি আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লেতে যদি ব্রাইটনেস বাড়িয়ে ব্যাবহার করা হয় তবে সেটি চোখের ক্ষতি করতে পারে। তবে আপনি যদি ব্রাইটনেস কমিয়ে ব্যাবহার করেন তাহলে খুব একটা চোখের ক্ষতি করবেনা। এখনকার যুগের ছেলেমেয়েরা ফোনে গেমস ইন্সটল করে গেইম খেলে। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন গেইম চালু করার পরে, ব্রাইটনেস অটোমেটিক বেড়ে যায়। তখন চাইলেও আপনি আপনার নিজের ইচ্ছেমত ব্রাইটনেস কমিয়ে গেমস খেলতে পারবেন না। এছাড়া মোবাইলে গেমস খেলার সময় ব্রাইটনেস কমিয়ে গেমস খেলে মজা নেই।

যেসমস্ত বাচ্চারা ফোনে প্রতিদিন গেমস খেলে তাদের অল্প বয়সে চোখের সমস্যা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। এছাড়া যারা ফোনে কার্টুন সিরিজ দেখে,সেক্ষেত্রেও চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মোবাইলের ডিসপ্লের উপর প্রেশার পড়ে বা মোবাইলের উপরে প্রেশার পড়ে এমন কোনকিছু আপনি যখন দেখবেন, একইসাথে আপনার চোখের উপরেও প্রভাব পড়বে।

এক্ষেত্রে করনীয় কি? আপনি যদি মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে থেকে নিজের চোখকে রক্ষা করতে চান তাহলে অন্ধকার কক্ষে কখনোই গেইমস খেলবেন না। পর্যাপ্ত আলোতে বসে গেইমস খেলবেন। ফোনের ডিসপ্লের আলো যাতে আপনার চোখে না লাগে, সেদিকে খেয়াল রেখে মোবাইল ব্যাবহার করবেন। ছোট বাচ্চাদের হাতে কখনোই মোবাইল ফোন দিবেন না। বাচ্চাদের যদি ছোটবেলা থেকে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখিয়ে বা কোন ভিডিও দেখে কান্না থামানোর চেস্টা করে থাকে তবে সেটা স্বল্প সময়ের জন্য সীমাবদ্ধ রাখবেন। বাসার বাচ্চাকাচ্চা থাকলে ফোন কোন গেইমস ইন্সটল রাখবেন না।

প্রকৃতপক্ষে আপনি যদি সতর্কভাবে ফোন ব্যাবহার করেন তাহলে ফোনের ডিসপ্লে আপনার চোখের খুব একটা ক্ষতি করতে পারবেনা। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখবেন। প্রথম অবস্থায় যদি ফোন ব্যাবহার করতে সমস্যা হয় তবুও ডিসপ্লের ব্রাইটনেস যতটা সম্ভব কমিয়ে মোবাইল ব্যাবহার করবেন। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কমাতে বলেছি বলে, একেবারের কম নয়। মাঝামাঝি বা মাঝামাঝি থেকে কম রাখবেন। একনাগাড়ে ফোনের ডিসপ্লের দিকে তাকিয়ে থাকার চেস্টা করবেন না। চোখ থেকে ফোনের দূরত্ব বজায় রাখবেন। অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় এক নাগারে এমপাশ হয়ে ফোন ব্যাবহার করে। এটা চোখের জন্য আরো বেশি ক্ষতিকর। কেউ যখন একপাশ হয়ে ফোন ব্যাবহার করে,তখন সেটি এক চোখের উপর অধিক প্রেশার ফেলে। সেটি চোখের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। রাতে ঘুমানোর আগের অন্তর ত্রিশ মিনিট ও ঘুম ঠেকে উঠার পরে অন্তত ত্রিশ মিনিট ফোনের ডিসপ্লে থেকে নিজের চোখকে সরিয়ে রাখার চেস্টা করবেন।

আশাকরি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনার যে তথ্য জানার প্রয়োজন ছিল সেটি জানতে পেরেছেন। কোন জানার বা মন্তব্য থাকলে মন্তব্য করতে পারেন। স্মার্টফোন বিষয়ক নিত্যনৈমিত্তিক অনেকে অজানা তথ্য আমাদের এই সাইটে আপনি পাবেন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Facebook Page লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। সাইটের নিচের অংশে আমাদের ফেইসবুক পেইজ দেয়া আছে। সেখানে স্মার্টফোন সম্পর্কিত নিয়মিত নিত্যনতুন আরো অজানা তথ্য জানতে পারবেন।

Previous Post Next Post