src='https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'/> যে শর্তে ওয়াইফাই লাইন নেয়া উচিৎ নয়

যে শর্তে ওয়াইফাই লাইন নেয়া উচিৎ নয়

যে শর্তে ওয়াইফাই লাইন নেয়া উচিৎ নয়
যে শর্তে ওয়াইফাই লাইন নেয়া উচিৎ নয়

বাসার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বা ওয়াইফাই লাইন নেয়ার সময় আমরা কিছু ভুল করে থাকি। যারকারনে লাইন নেয়ার পরে আমাদের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। যারা আগামীদিনে বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ নিবেন বলে ভেবে রেখেছেন তাদের জন্য আজকের আর্টিকেল গুরুত্বপূর্ণ।

বাসায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বা ওয়াইফাই লাইন নেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই চেস্টা করবেন অপটিকাল ফাইভার কানেকশন যাতে হয়। ক্যাট ফাইভ বা ক্যাট সিক্স তারের লাইনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট অনেক ভোগান্তি করে। লাইন বিদুৎতের ভোল্টেজের মতো আপডাউন করে। যদিও অপটিকাল ফাইভার ইন্টারনেট কানেকশন নিতে প্রাথমিক অবস্থায় টাকা বেশি দরকার হয় তবুও এই লাইনে অনেকটা ঝামেলামুক্ত থাকা যায়।

তাছাড়া অনেকসময় ওয়াইফাই ইন্টারনেট সার্ভিসের লোকাল প্রোভাইডর যাদের কাছ থেকে লাইন নিচ্ছেন তারা অগ্রিম টাকা নিয়ে কিছু ছাড়ে লাইন দিতে চায়। তাদের এই শর্তে যাওয়ার আগে বুঝেশুঝে যাবেন। অনেক  ওয়াইফাই ইন্টারনেট প্রোভাইডর আছে যারা মূল ব্রাঞ্চ থেকে লাইন নিয়ে এসে, লোকাল এড়িয়াতে সার্ভিস দেয়। তারা আপনার কাছ থেকে অগ্রিম বিল নিয়ে হয়রানী করতে পারে। এক্ষেত্রে এখন বেশিরভাগ ওয়াইফাই ইন্টারনেট বিল বিকাশে পেমেন্ট করার অপশন থাকে। সেক্ষেত্রে আপনি বিকাশে বিল পেমেন্ট করবেন। ভালোমানের ওয়াইফাই ইন্টারনেট প্রোভাইডর কখনো হ্যান্ডক্যাশ বিল নেয়না। যারা লোকাল প্রোভাইডর তারাই হ্যান্ডক্যাশ বিল নেয়। এছাড়া হ্যান্ডক্যাশ বিল নিলেও অনেকেই বিকাশে বিল নেয়ার সিস্টেম থাকে। বিকাশ এপ্সে পে বিল অপশনে গিয়ে, আপনার বাসার ওয়াইফাই ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডরের কোম্পানির নাম লিখে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে কোনপ্রকার চার্জ ছাড়াই বিল দিতে পারবেন।

অগ্রিম বিল দিলেও বিকাশে দেয়ার চেস্টা করবেন। তাতেকরে আপনার বিল দেয়ার প্রমান রিসিট হিসেবে কাজ করবে।

তাছাড়া এখন ভালোমানের ইন্টারনেট প্রোভাইডরের ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপ থাকে। সেই পেজ ও গ্রুপের কমেন্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন তাদের সার্ভিস কেমন। তবে একটা বিষয় মনে রাখবেন, সব ওয়াইফাই ইন্টারনেট প্রোভাইডরের সার্ভিস সব এলাকায় একরকম নয়। কোন ওয়াইফাই ইন্টারনেট সার্ভিস এক এলাকায় ভালো অন্য এলাকায় হয়তো ভালোনা। কারন ওয়াইফাই ইন্টারনেট সার্ভিস প্রতিটি এলাকায় আলাদা আলাদা এজেন্সি কাজ করে। যাদেরকে ইন্টারনেট ডিস্ট্রিবিউটর বলা হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডিস্ট্রিবিউটর যদি গ্রাহকদের হয়রানী করে,তখন মূল কোম্পানি ব্যাবস্থা নেয়। আবার কোন ক্ষেত্রে মূল কোম্পানি নিরব থাকে। এক্ষেত্রে আপনি চাইলে বিটিআরসিতে আপনার ওয়াইফাই ইন্টারনেট প্রোভাইডরের বিরূদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারেন। বিটিআরসি এইসব ব্যাপারে অনেক দ্রুত ব্যাবস্থা নিয়ে থাকে।

মনে রাখবেন, বাসায় নতুন ওয়াইফাই ইন্টারনেট লাইন নেয়ার ক্ষেত্রে যারা অপটিকাল ফাইভারে কানেকশন দেয় তাদের থেকে লাইন নিতে চেস্টা করবেন। পাশাপাশি যেসকন ইন্টারনেট প্রোভাইডর সারা বাংলাদেশ ব্যাপি ওয়াইফাই ইন্টারনেট সার্ভিস দিয়ে থাকে, সেইসব সুনামধন্য আইএসপি থেকে লাইন নিতে চেস্টা করবেন।

আশাকরি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনার যে তথ্য জানার প্রয়োজন ছিল সেটি জানতে পেরেছেন। কোন জানার বা মন্তব্য থাকলে মন্তব্য করতে পারেন। স্মার্টফোন বিষয়ক নিত্যনৈমিত্তিক অনেকে অজানা তথ্য আমাদের এই সাইটে আপনি পাবেন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Facebook Page লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। সাইটের নিচের অংশে আমাদের ফেইসবুক পেইজ দেয়া আছে। সেখানে স্মার্টফোন সম্পর্কিত নিয়মিত নিত্যনতুন আরো অজানা তথ্য জানতে পারবেন।

Previous Post Next Post