src='https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'/> ফোনে ফাস্ট চার্জার না থাকার অসুবিধা

ফোনে ফাস্ট চার্জার না থাকার অসুবিধা

এখনকার দিনে প্রায় বেশিরভাগ ফোনে বিশাল ব্যাটারি দেয়া হয়। দিনকেদিন ফোনের সাইজ যত বড় হচ্ছে সেই তুলনায় ব্যাটারি পাওয়ার বড় হচ্ছে। কমদামী বেশি স্পেসিফিকেশন দেয়া মোবাইল ব্রান্ড বেশি ব্যাটারি দেয় ঠিকই কিন্তু ফোনের বক্সে কোন ফাস্ট চার্জার দেয়না। আবার কোন কোন ব্রান্ড বলে দেয় যে,ফাস্ট চার্জার সাপোর্টেড কিন্তু বক্সে ফাস্ট চার্জার দেয়না। ফোনের ব্যাটারি বেশি থাকার পরেও ফাস্ট চার্জার না থাকার কারনে যে সমস্যা হয়,সেটাই আজ আলোচনা করবো।

ফোনে ফাস্ট চার্জার না থাকার অসুবিধা
ফোনে ফাস্ট চার্জার না থাকার অসুবিধা

ফোনে ফাস্ট চার্জার না থাকলে ফোনটি চার্জ করতে তুলনামূলক বেশি সময় নেয়। যা আমাদের অনেকের কাছে বিরক্তির কারন। ফাস্ট চার্জার সুবিধা না থাকার কারনে বেশি এমএইচের ব্যাটারি চার্জ নিতে অনেক সময় নেয়ার পাশাপাশি ফোন বেশি সময় ধরে গরম হতে থাকে।

বেশি সময় ধরে ফোন গরম হওয়ার কারনে ফোনের ক্যামেরা বাম্প দ্রুত গরম থাকে। পাশাপাশি ফোনের ক্যামেরা পারফরমেন্স দিনকেদিন দ্রুত খারাপের দিকে যেতে পারে। তাছাড়া যেহেতু ফোন বেশি সময় গরম থাকে,সেহেতু ফোনের প্রসেসর পারফরমেন্স ড্রপ করতে পারে। ফোন বেশিক্ষণ গরম থাকা ফোনের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারন হতে পারে।

এছাড়া বেশি এমএইচের ব্যাটারি কম পাওয়ারফুল চার্জার দিয়ে চার্জ করার ফলে ব্যাটারি ক্ষনস্থায়ী হয়। যেই ব্যাটারি তিন থেকে চার বছর ভালো পারফরমেন্স করার কথা ছিল,সেই ব্যাটারি এক থেকে দেড় বছরেই বাতিলের দলে যোগ দেয়। তখন আমারের বাধ্য হয়েই নতুন ব্যাটারি লাগাতে হয়। আর এখনকার দিনে তো প্রায় সব ব্রান্ডই নন রিমুভেবল ব্যাটারি দেয়। এইসব ব্যাটারি লাগাতে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকার মতো লাগতে পারে।

আশাকরি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনার যে তথ্য জানার প্রয়োজন ছিল সেটি জানতে পেরেছেন। কোন জানার বা মন্তব্য থাকলে মন্তব্য করতে পারেন। স্মার্টফোন বিষয়ক নিত্যনৈমিত্তিক অনেকে অজানা তথ্য আমাদের এই সাইটে আপনি পাবেন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Facebook Page লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। সাইটের নিচের অংশে আমাদের ফেইসবুক পেইজ দেয়া আছে। সেখানে স্মার্টফোন সম্পর্কিত নিয়মিত নিত্যনতুন আরো অজানা তথ্য জানতে পারবেন।

Previous Post Next Post