src='https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'/> জেনে রাখুন,যেকারনে বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন দেয়া উচিৎ নয়

জেনে রাখুন,যেকারনে বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন দেয়া উচিৎ নয়

আমরা অনেকেই ছোট বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন দিয়ে থাকি। বাচ্চারা কান্নাকাটি করলে বা কোন কোন সময় খাওয়া নিয়ে অজুহাত দিলে তখন তাদেরকে খুশি করার জন্য তাদের হাতে ফোন দিয়ে থাকি। আপনি যদি জানতেন, এই ফোন আগামী দুই বা তিন বছর বাদে আপনার বাচ্চার চোখ নস্ট করে দিতে পারে,তাহলে কখনো কি ফোন হাতে দিতেন? অবশ্যই দিতেন না। আজকের আর্টিকেলে বাচ্চাদের হাতে ফোন দেয়ার ক্ষতিকর দিক ও বাচ্চাদের হাতে ফোন না দেয়ার কৌশলগুলো জেনে নিবো।

বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন
বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন

কোন বাচ্চা যখন খাবার সময় কান্নাকাটি করে বা নানান অজুহাত দেখায় তখন তাদের কান্না থামানোর জন্য আমরা তাদের হাতে প্রাথমিক অবস্থায় ফোন দিয়ে থাকি। ধীরেধীরে তারা সেই ফোন নিয়ে খেতে অভ্যস্ত হয়। একটাসময় সেই ফোনের গেমস বের করে ফেলে। সেই শিশুটি একটুআধটু বড় হয়,তার অভ্যাসে পরিবর্তন আসে। একটুআধটু করে তারা গেমস খেলা শুরু করে। তখনই চলে যায় চরম পর্যায়ে। গেমস খেলতে না দিলে শুরু হয় নানান অজুহাত। ক্লাস ফাইভের গন্ডি না পেরোতেই সেই বাচ্চাকে কোন চোখের ডাক্তারের কাছে নিতে হয়। মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখার সমস্যা দেখা দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য আমরা অভিভাবক দায়ী থাকি। একটি শিশু বাচ্চা যে সারাদিন গেমস খেলে তা নয়। সে অবসর সময়ে টিভিতে কার্টুন দেখে। অনেকসময় অন্ধকার রুমে বা রুমের লাইট বন্ধ করে সে কার্টুন দেখে। রাতে ঘুমানোর সময় অভিভাবকের ফোন নিয়ে আবার কিছুক্ষন সময় ফোনে গেইমস খেলে। এটা যেন বাচ্চাদের হাতে আমরা অনেকটা বন্দী। করোনাকালীন সময়ের পর, হাসপাতালগুলোতে চোখের ডাক্তারদের সিরিয়াল পাওয়া যাচ্ছিল না। বেশিরভাগই ছিল অল্পবয়সী বাচ্চাশিশু। অন্যতম কারন,করোনাকালীন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এই সময়ে বাচ্চাদের হাতে দীর্ঘক্ষন মোবাইল ফোন ছিল। যার প্রভাব পড়ে,তাদের এই মূল্যবান চোখে। এখন আসি, এই নিয়ে আমাদের অভিভাবকদের করনীয় কি?


যদি বাচ্চা ছোটবেলা থেকে খাবার নিয়ে জ্বলাতন করে,তাহলে অতি প্রয়োজনে ফোন হাতে দিন। তবে ফোনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। ফোনের ব্যাটারি সেভার অপশন অন রাখুন। ফোনে কোন গান বা নাচের ভিডিও দেখাতে পারেন। এইচডি গ্রাফিক্সের কোন ভিডিও বাচ্চাদের দেখাবেন না। কার্টুনের ভিডিও দেখাতে পারেন,তবে তা সীমিত সময়ের জন্য দেখাবেন। বাচ্চা যখন ধীরেধীরে বড় হতে থাকবে, তখন আপনার ফোন থেকে সকল ধরনের গেইমস আন-ইন্সটল করে দিবেন। ফোনে গেমস বলে কিছু আছে বা ফোন দিয়ে গেইমস খেলা যায় সেটা বাচ্চাকে যতটা সম্ভব জানতে দিবেন না। যদি বাচ্চা অন্য কোন বাচ্চার মাধ্যমে জেনেও যায় যে, ফোনে গেইমস খেলা যায় তবুও তাকে যথাসাধ্য চেস্টা করবেন সে যাতে ফোনে গেইমস খেলতে না পারে। বাসায় যেহেতু টেলিভিশন আছে,সেহেতু টেলিভিশন তো অবশ্যই দেখতে হবে। টেলিভিশন যে রুমে থাকবে, সেই রুমে যাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যাবস্থা থাকে সেদিকে নজর রাখবেন। অন্ধকার রুমে বা অল্প আলোর রুমে কাউকে টেলিভিশন দেখতে দিবেন না। অল্প আলোতে টেলিভিশন দেখলে আমাদের সবার চোখের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াতে পারে।

আশাকরি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনার যে তথ্য জানার প্রয়োজন ছিল সেটি জানতে পেরেছেন। কোন জানার বা মন্তব্য থাকলে মন্তব্য করতে পারেন। স্মার্টফোন বিষয়ক নিত্যনৈমিত্তিক অনেকে অজানা তথ্য আমাদের এই সাইটে আপনি পাবেন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Facebook Page লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। সাইটের নিচের অংশে আমাদের ফেইসবুক পেইজ দেয়া আছে। সেখানে স্মার্টফোন সম্পর্কিত নিয়মিত নিত্যনতুন আরো অজানা তথ্য জানতে পারবেন।

Previous Post Next Post